fbpx

ডায়াবেটিস আমাদের সকলের কাছে একটি পরিচিত রোগ। বাংলাদেশে বিভিন্ন কারনে ডায়াবেটিস রোগ পরিচিতি পেয়েছে। বর্তমানে ডায়াবেটিস রোগী পাওয়া যাবে না এমন পরিবার পাওয়া দুষ্কর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতামত অনুযায়ী, ডায়াবেটিস একটি অসংক্রামক রোগ যা মহামারি রোগের মত ছড়িয়ে পড়ছে।

এই রোগে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ও সিস্টেমকে আক্রান্ত করে বলে এ রোগের নিয়ন্ত্রণ, সঠিক সময়ে রোগ নির্নয় ও সঠিক চিকিৎসাগ্রহণ জরুরি। বলা হয়ে থাকে ডায়েবেটিসে তিনটি “ডি” মেনে চলা জরুরি, প্রথমত ডায়েট বা পরিমিত খাবার, ড্রাগ বা ঔষধ এবং ডিসিপ্লিন বা নিয়মানুবর্তিতা। এখানে ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়ে আলোচনা করব।

ডায়াবেটিস কি?

ডায়াবেটিস কি?

ডায়াবেটিস এক ধরনের মেটাবলিক ডিজঅর্ডার বা শরীরবৃত্তীয় কার্যক্রমের সমস্যা তৈরি করে এমন একটি রোগ । এক্ষেত্রে শরীর অগ্নাশয়ের মাধ্যমে পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপাদন ও তা ব্যবহার করতে পারে না। অনেকের ক্ষেত্রে ইনসুলিন একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়।  যে কোনো খাবার খাওয়া পর আমাদের শরীর সেই খাদ্যের শর্করাকে ভেঙে চিনিতে (গ্লুকোজ) রুপান্তরিত করে।

অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নামের যে হরমোন নিসৃত হয়, তা শরীরের কোষগুলোকে নির্দেশ দেয় চিনিকে গ্রহণ করার জন্যে। এই চিনি কাজ করে শরীরের জ্বালানি বা শক্তি হিসেবে। শরীরে যখন ইনসুলি্নের উৎপন্ন হতে পারে না অথবা এটি ঠিক মতো কাজ করতে পারে না তখনই এই ডায়াবেটিস রোগটি হয়।

এর ফলে রক্তের মধ্যে চিনি জমতে শুরু করে বা রক্তে চিনি বা গ্লুকোজ এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। এর ফলে ঘন ঘন পশ্রাব হয়, গলা শুকিয়ে যায়, ওজনে পরিবর্তন হয়, শরীরে দূর্বলতা আসে, কোন ঘা সহজে শুকায় না, রক্তনালী ধংস হয়, স্নায়ু তন্ত্রে সমস্যা হয়, পা পচে যেতে পারে, অনুভুতি কমে যেতে পারে, এমনি স্ট্রোক ও মৃত্যুঝুকি বেড়ে যায়।

ডায়াবেটিস ৪ ধরনের হয়ে থাকেঃ টাইপ-১, টাইপ-২, গেস্টেশনাল ও অন্যান্য।

  • টাইপ-১ ডায়াবেটিসঃ

টাইপ-১ ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের সব ইনসুলিন নষ্ট হয়ে যায়। তাদের যদি আলাদা ভাবে ইনসুলিন দেওয়া না হয়, তাহলে তারা মারা যেতে পারে। প্রায় ৫-১০ শতাংশ মানুষ টাইপ-১ ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত হয়।

  • টাইপ-২ ডায়াবেটিসঃ

যাদের শরীরে ইনসুলিন আছে কিন্তু সেটা কাজ করতে পারছে না। তখন আমরা যে খাবারই খাই না কেন তা গ্লুকোজ হিসেবে শরীরে জমে যায়,এটাই টাইপ-২ ডায়াবেটিস। প্রায় ৮০-৯০ শতাংশ মানুষ এ ডায়াবেটেসে আক্রান্ত।

  • গেস্টেশনাল ডায়াবেটিসঃ

এটি সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে পাওয়া যায়। গর্ভাবস্থার ক্ষেত্রে, প্লাসেন্টার কিছু হরমোন ইনসুলিন প্রতিরোধের জন্য দায়ী।বেশিরভাগ মহিলাই প্রসব পরবর্তী স্বাভাবিক গ্লুকোজ সহনশীলতায় ফিরে আসেন কিন্তু পরবর্তী জীবনে ডায়াবেটিস হওয়ার যথেষ্ট ঝুঁকি (30-60%) থাকে। প্রায় ২-৫ শতাংশ মানুষ এ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়।

  • অন্যান্য টাইপ ডায়াবেটিসঃ

রক্তে শর্করার কোন বৃদ্ধি পায় না (হাইপারগ্লাইসেমিয়া)। এটি হলে প্রচণ্ড তৃষ্ণার অনুভূতি পায় এবং কম অ্যান্টি-ডাইউরেটিক হরমোন নিঃসরণের কারণে অতিরিক্ত প্রস্রাব তৈরি হয়। অ্যান্টি-ডাইউরেটিক হরমোন ভ্যাসোপ্রেসিনের নিঃসরণ কমে যাওয়ায় প্রস্রাবের চরম উৎপাদন হয়। এটি প্রায় ১-২ শতাংশ মানুষের হয়ে থাকে।

আরও পড়ুনঃ ডায়াবেটিস এর লক্ষণ গুলো জেনে নিন

ডায়াবেটিসের সাথে খাবারের সম্পর্কঃ

ডায়াবেটিসের সাথে খাবারের সম্পর্কঃ

ডায়াবেটিস রোগ পুরোপুরি বা সম্পূর্ণ নিরাময় করা যায় না। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে এটি নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্থ জীবনযাপন করা যায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার অনেক উপায় আছে, যেমনঃ- ওষুধ, নিয়মিত ব্যায়ামসহ নানাভাবে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। তবে সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হবে যদি আপনি খাবার নিয়ন্ত্রণ না করেন। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এমন খাদ্য রাখতে হবে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। আর সেটিও হতে হবে পরিমাণমতো। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, এমন কিছু খাবার সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাকঃ

১।খেজুরঃ খেজুরের মিষ্টি স্বাদের কারণে অনেকেই ভেবে থাকেন, ডায়াবেটিক রোগীদের এটা খাওয়া ঠিক নয় কিন্তু এতে প্রচুর ফাইবারযুক্ত থাকে যা ডায়াবেটিসের জন্য অনেক উপকারী। আঙ্গুর, কমলালেবু ও ফুলকপির তুলনায় খেজুর শরীরে অনেক বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের জোগান দেয়। যার ফলে খেজুর ডায়াবেটিস আক্রান্তদের ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

২।তিসিঃ এটি একধরনের বীজ যার ইংরেজি নাম ফ্লেক্সসিড। আমরা এটাকে তিসি হিসেবেই চিনে থাকি। তিসিবীজ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই বীজ খুবই কার্যকর। তিসি বীজ ফাইবার, ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিডের ভালো উৎস। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় তিসি রাখতে পারেন। এটা রক্তে চিনির মাত্রা কমায়, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তিসিবীজ গুঁড়া করে প্রতিদিন দুই গ্লাস পানিতে তিন চা চামচ মিশিয়ে পান করুন।

৩।দুধঃ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি’-এর ভালো উৎস দুধ। আর সেজন্য দুধ ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য অত্যন্ত উপকারী খাবার। অনেকের দুধ খেলে পেটে গ্যাস হয়, তাই আপনি চাইলে দুধের ফ্যাটি অংশটি ছাড়া টকদই ও অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবারও খেতে পারেন। সকালের নাস্তাও আপনি রাখতে পারেন দুধ অথবা দুগ্ধজাত কোনো খাবার।

৪।তুলসীঃ ঔষধি গাছ তুলসীকে বলা হয় ডায়াবেটিস রোগের ইনসুলিন । গবেষণায় দেখা গেছে, তুলসীপাতা বিভিন্নভাবে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। খালি পেটে তুলসীপাতার রস পান করলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায়। চাইলে তুলসীর রস আপনি চায়ের সাথে মিশিয়েও খেতে পারেন।

৫।মটরশুঁটিঃ হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে মটরশুঁটি। মটরশুঁটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। প্রায় প্রতিদিন ২০০ গ্রামের মতো মটরশুঁটি খেলে হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপজনিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমে যায়। বর্তমানে আমাদের দেশে প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায় মটরশুঁকি। যদি না থাকে তবে যখন মটরশুঁটির মওসুম, তখন বেশি করে কিনে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। তারপর সারা বছর খাদ্য তালিকায় রাখুন এই সবজি। তেলাকুচা পাতা এবং ফল সবজির মতো খান। মেথি চূর্ণ করেও খেতে পারেন।

ডায়াবেটিসের সুষম খাদ্য গ্রহনের উপকারিতাঃ

ডায়াবেটিসের সুষম খাদ্য গ্রহনের উপকারিতা

সুষম খাদ্য শরীরকে পুষ্ট রাখে এবং দেহে শক্তি জোগায়। সুষম খাদ্য গ্রহণের ফলে প্রতিদিনের ক্রিয়াকলাপগুলি  নিখুঁত দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করে থাকে। এটি স্থূলত্ব এবং অপুষ্টি  প্রতিরোধ  করে এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে সহায়তা করে। বিশেষ করে তরুনদের মধ্যে সুষম খাদ্য নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক।

এটি পুষ্টি জনিত রোগ বৃদ্ধদের ব্যাধি এবং অল্প বয়সীদের অকালমৃত্যু প্রতিরোধে সহায়তা করে। বিভিন্ন ধরনের কার্ডিয়োভাসকুলার রোগ,ডায়াবেটিস এবং স্থূলতার সাথে জড়িত অন্যান্য রোগ শরীরকে সঠিক পুষ্টি দিয়ে এড়ানো সম্ভব। সুষম খাদ্য রোগের সাথে মোকাবেলা করতে সাহায্য করে এবং শরীর ফিট রাখে। সুষম খাদ্যের পুষ্টির উপকারিতা অগুন্তি।

এটি শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতেই সাহায্য করে না বরং বিভিন্ন রকম অসংক্রামক রোগের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এই ধরণের রোগের একটি বড় ঝুঁকির কারণ যার মধ্যে রয়েছে টাইপ-২ ডায়বিটিস মেলিটাস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক এমনকি কিছু ধরনের ক্যান্সারও।

এটি সারা বিশ্বে অক্ষমতা এবং মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু স্বাস্থকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করে এই ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করতে ও কমাতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ প্রস্রাবে ইনফেকশনের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার

সুষম খাদ্য গ্রহণের তালিকাঃ

ডায়াবেটিস রোগীর জন্য মোট ক্যালরির ২০% আসবে আমিষ থেকে, ৩০% আসবে ফ্যাট থেকে এবং ৫০% আসবে শর্করা থেকে।

ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে সুষম খাদ্যের তালিকা উল্লেখ করা হলঃ-

১।কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাঃ কার্বোহাইড্রেট হল এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ। যা হল কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বিত রূপ। এটি একটি জৈব যৌগ। যাতে হাইডোজেন ও অক্সিজেনের অনুপাত ২:১। কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্যের প্রধান কাজ হল শরীরে শক্তির যোগান দেওয়া। কার্বোহাইড্রেট শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে।

কার্বোহাইড্রেট শরীরে কোষ্ঠবদ্ধতা দূর করে। ভাত, রুটি, পাউরুটি, মিস্টি জাতীয় খাবার ইত্যাদি কার্বোহাইড্রেট এর উৎস। ডায়াবেটিস রোগীদের কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যথা সম্ভব কমিয়ে দিতে হবে।

২।প্রোটিন বা আমিষঃ অ্যামাইনো এসিডের পলিমার দ্বারা বেষ্টিত উচ্চ ভরবিশিষ্ট নাইট্রোজেন যুক্ত জটিল যৌগকে প্রোটিন বা আমিষ বলে। খাদ্যের ছয়টি উপাদানের মধ্যে প্রোটিন হল একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রোটিন সুস্বাস্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন মূলত কোষ গঠনে সাহায্য করে। অঙ্গের গঠন, কার্যকারীতা ও নিয়ন্ত্রনের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উদ্ভিদ ও প্রাণীভিত্তিক উভয় খাবারেই প্রোটিন বিদ্যমান থাকে। ভাল প্রোটিন জাতীয় খাবার হলো ডিম, অল্প চর্বি জাতীয় দুধ, টক দই দেশজ মাছ ও মুরগি ইত্যাদি। ডায়াবেটিস রোগীদের প্রোটিন জাতীয় খাবারে বাধা নেই যদি না তাদের কিডনি তে কোন জটিলতা না থাকে।

৩।ফ্যাট বা চর্বিঃ চর্বি হচ্ছে প্রাকৃতিক তৈলাক্ত পদার্থ যা প্রাণীজ শরীরে স্তর আকারে বা ত্বকের নিচে কোন অর্গানের চারপাশে জমা হয়ে থাকে।অন্যভাবে বলা যায়, প্রাকৃতিক গ্লাইসেরল এস্টার এবং ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ, যা সাধারনত রুমের তাপমাত্রায় জমাট হয়ে কঠিন অবস্থায় থাকে এবং প্রাণীজ ও উদ্ভিদ জগতের প্রধানতম উপাদান।

উপকারী চর্বি যেমন, বাদাম, অলিভ ওয়েল, মাছের তেল ইত্যাদি ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারে। তবে ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাবারের অতিরিক্ত গ্রহণ ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর।

৪।পানীয়ঃ মানব দেহের জন্য পানি অপরিহার্য। পানি ছাড়া মানব দেহ অচল। মানব দেহের রক্ত, মাংস, স্নায়ুপিন্ড,হাড়, দাত, অস্থি, মজ্জা, ত্বক সবকিছুর জন্য পানি অপরিহার্য। পানি মানুষকে বেচে থাকতে সাহায্য করে। এজন্য পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া মানুষের পৃথিবীতে বেচে থাকা দুষ্কর। মানুষের দেহের অভ্যন্তরীন যাবতীয় কাজে পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

একজন ডায়াবেটিস রোগী দিনে স্বাভাবিক মাত্রায় পানি পান করবেন। অনেকে ঘন ঘন পশ্রাবের ভয়ে পানি খেতে চান না, তাদের ক্ষেত্রে জটিলতা বেশি হতে পারে। এছাড়া ডাবের পানি ও উপকারী।

প্রয়োজনীয় ক্যালোরিঃ

  • একজন মধ্য বয়সী বা বৃদ্ধ ডায়াবেটিস রোগীর সঙ্গে ১০০০ – ১৬০০ কিলোক্যালরি প্রয়োজন।
  • একটি বয়স্ক ডায়াবেটিস রুগীর ১৪০০ -১৮০০ কিলোক্যালরির বেশি হবে না।
  • একজন কম বয়সী ডায়াবেটিস রুগী হবে ১৮০০ -৩০০০ কিলোগ্রাম।
  • প্রতিদিন কার্বোহাইড্রেট গ্রহণের পরিমাণ: প্রায় মোট ক্যালোরি ১৮০ গ্রাম।
  • প্রতিদিন প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ: ৬০ গ্রাম থেকে ১১০ গ্রাম।
  • প্রতিদিন ফ্যাট গ্রহণের পরিমাণ: ৫০ গ্রাম থেকে ১৫০ গ্রাম।

ডায়াবেটিস রোগীর ডায়েট চার্টঃ

সকালের নাস্তা (সকাল .৩০টা টা)দুপুরের খাবার (দুপুর .৩০টা২টা)বিকেলের নাস্তা (বিকেল .৩০টা৬টা)রাতের খাবার (রাত ৯টা.৩০টা
১।রুটিঃ ১টা গমের আটার রুটি (মিডিয়াম)১।ভাতঃ দেড় কাপ ভাত১।সিজনাল ফলঃ পছন্দমত ১ সারভিং সিজনাল ফল১।রুটি অথবা ভাতঃ ১/২ কাপ ভাত অথবা ১ টা আটার রুটি
২।দুধঃ ১ গ্লাস ফ্যাট ছাড়া দুধ বা স্কিম মিল্ক২।মাছ বা মাংশঃ ৬০ গ্রাম পরিমাণ রান্না করা মাছ বা মাংস (ফ্যাট ছাড়া)২।বাদাম, বুট এবং কলাই জাতীয় খাদ্যঃ   ১/৪ কাপ বাদাম বা বুট বা কলাই জাতীয় খাদ্য২।মাছ অথবা মাংসঃ ৬০ গ্রাম পরিমাণ রান্না করা মাছ বা মাংস (ফ্যাট ছাড়া)
৩।ডিমঃ ১ টা মুরগী অথবা হাঁসের ডিম (সিদ্ধ অথবা ভাঁজি)৩।শাক সবজিঃ ১ কাপ পাতা যুক্ত শাক খাকবে অবশ্যই, বাকী দেড় কাপ অন্যান্য সবজি৩।শাক সবজিঃ কাপ পাতা যুক্ত শাক খাকবে অবশ্যই, বাকী আধা কাপ অন্যান্য সবজি
৪।শাক সবজিঃ ১ কাপ পাতা যুক্ত শাক বা ১/২ কাপ সবজি৪।ডালঃ ১ কাপ মাঝারি ঘন ডাল৪।সিজনাল ফলঃ ১ সারভিং সিজনাল ফল

এছাড়া আপনার শারিরিক প্রয়োজন ও অবস্থা অনুযায়ী ডায়েট প্লান করতে একজন ডায়াটেশয়ান ও এক্সারসাইজ প্লান করতে একজন ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

তথ্যসূত্রঃ

Dr. M Shahadat Hossain
Follow me

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This field is required.

This field is required.

fourteen − 1 =

Call Now